বিজ্ঞানীরা সূরা আর রহমান রিসার্চ করে যা জানতে পারল

 প্রিয় বন্ধুরা আজকে আমরা এই পোস্টটা জানতে চলেছি যে বিজ্ঞানীরা সূরা আর রহমান রিসার্চ করা পর যা জানতে পারল।



চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা সূরা আর রহমান রিসার্চ করে এক অলৌকিক জিনিস খুঁজে পেয়েছেন যা আপনারা শুনে চমকে উঠবেন সুরা রহমান যারা পাঠ করেন এবং শোনেন তাদের সঙ্গে কি ঘটে? বন্ধুরা কোরানুল কারীমে যে সকল সূরা সব চাইতে বেশি গুরুত্বপূর্ণ এবং সকলের পছন্দ তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে সূরা আর রহমান। সারা পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি তেলাওয়াতকারী সূরা গুলোর মধ্যে সূরা আর রহমান অন্যতম।


বিজ্ঞানীরা সূরা আর রহমান রিসার্চ করে যা জানতে পারল



কিন্তু আমরা কি কখনো এটা জানতে চেষ্টা করেছি যে কেন এই সূরাটি এত মর্যাদা? আমরা কি কখনো এই সূরাটির মধ্যে যে বার্তা দেয়া হয়েছে তা বোঝার চেষ্টা করেছি? আর কেনই বা চিকিৎসা শাস্ত্রে এই সূরাটি এমন কাজ করে দেখিয়েছেন যেখানে চিকিৎসা বিজ্ঞান ব্যর্থ হয়ে গিয়েছে। চিকিৎসা শাস্ত্রে যখন সকল চিকিৎসা পদ্ধতি ব্যর্থ হয়ে যায় তখন আল্লাহতালার এ রহমান নাম অলৌকিক ফলাফল বয়ে আনে।




একটি হাদিস আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাই সাল্লাম বলেন সব কিছুরই একটি সৌন্দর্য রয়েছে। আর কোরআনের সৌন্দর্য হচ্ছে সূরা আর রহমান। চিকিৎসা বিজ্ঞানীরা হাসপাতালে ভর্তি মানসিক ডিপ্রেশনে রোগীদের ওপর একটি পরীক্ষা চালিয়েছিলেন। যেখানে চিকিৎসকরা রোগীদের কে দুই গ্রুপে ভাগ করেন। যার মধ্যে একটি গ্রুপের সমস্ত রোগীদেরকে প্রতিদিন সূরা আর রহমান এর তেলাওয়াত শোনানো হতো এবং অন্য গ্রুপে রোগীদেরকে ডিপ্রেশন দূর করার জন্য অন্যান্য সংগীত এবং মিউজিক শোনানো হতো ও স্বাভাবিক চিকিৎসা দেয়া হতো প্রতিদিন ২২ মিনিট করে লাগাতার 4 সপ্তাহ পর্যন্ত এই প্রক্রিয়া অবলম্বন করা হয়।




এই পরীক্ষা শেষে দেখা যায় যে দুইটি গ্রুপে রোগীদের মধ্যেই ডিপ্রেশন লেভেল কমেছে। কিন্তু গ্রুপে যাদেরকে প্রতিদিন সূরা আর রহমান শোনানো হতো তাদের ডিপ্রেশন লেভেল অন্যকে তুলনায় অনেক গুণ কমে গিয়েছিল। একটি কথা খুবই পরিচিত হয়েছে যে আধ্যাত্মিক চিকিৎসা সবসময়ই এবং স্তরে গিয়ে কাজ করে যেখানে মেডিকেল সাইন্স ব্যর্থ প্রমাণিত হয়।



এমনই এক ঘটনা একটি যুবকের বেলায় ঘটেছিল। যেখানে দেখা যায় সেই যুবকটির মৃত্যুর মুখ থেকে বেঁচে ফিরে এসেছিল। লাহোরের বিখ্যাত কনসালটেন্ট জাবেদ আহমেদ বলেন একবার আমরা একটি যুবককে আইসিইউ তে স্থানান্তর করি। যুবকটি বিষপান করেছিল। যুবকটির বাজার সম্ভাবনা একেবারেই ছিল না। তার দেহের অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ কাজ করা বন্ধ করে দিয়েছিল।



ডাঃ জাবেদ বলেন তাকে আমরা ১২৫ বার ইলেকট্রিক শকটি যেন তার হার্টবিট চালু থাকে। এবং পরবর্তীতে যুবকটি বেঁচে যায়। সমস্ত ডাক্তারেরা অবাক হয়ে যায় যে এটা কিভাবে সম্ভব? কিন্তু ডাক্তার জাবেদ বলেন এটা কেবলমাত্র ওষুধের কারণে হয়নি। বরং এর আসল কারণ হচ্ছে কোরআন পাকের সূরা আর রহমানের তেলাওয়াত। যেটা সেই রোগীর কাছে বারবার তেলাওয়াত করা হচ্ছিল।



এবং তখনই সেই অলৌকিক ঘটনা ঘটে যেখানে চিকিৎসা বিজ্ঞান হার মেনে গিয়েছিল। এভাবেই একটি যুবক মৃত্যুর মুখ থেকে বেঁচে ফিরে এসেছিল। যেখানে ডাক্তাররা হাল ছেড়ে দিয়েছিল।

Post a Comment

Previous Post Next Post